শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
১৫ বিজিবি’র অভিযানে ৬লক্ষ ৬৪হাজার ৫শত টাকার ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ, ফেয়ারডিল সিরাপ এবং ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ ‎দেববাড়ী পূজা মন্দিরে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে শুভ সূচনা অনুষ্ঠিত শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ দূর্গা মন্ডপ পরিদর্শন করেন ১৫ বিজিবি’র ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক “ল” ইয়ার’স স্পোর্টিং ক্লাব-এর শুভ উদ্বোধন উপলক্ষ্যে- প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত এসআরবি-১৩ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দসহ ২জনকে গ্রেফতার ৫দিন ব্যাপী শারদীয় দূর্গোৎসবের ধুম লেগেছে ধর্মীয় সম্প্রীতির বিরল দৃষ্টান্ত একই দাগের জমিতে মসজিদ ও মন্দির দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্‌যাপনে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শারদীয় দুর্গাপূজা নিরাপদে উদযাপনের লক্ষ্যে বিজিবি রংপুর সেক্টর কমান্ডার কালীবাড়ী মন্দির পরিদর্শন

কাজুবাদাম নিয়ে প্রশ্ন, নথিতে ৫টন স্থানীয়দের দাবি ১২টন

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরের কাস্টমস পার্কিংয়ে প্রায় ২কোটি টাকা মূল্যের কাজুবাদাম রয়েছে বলে জানা গেছে। আমদানির পরিমাণ নিয়ে কাস্টমসের বক্তব্য ও স্থানীয়দের দাবিতে পার্থক্য থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বুড়িমারী কাস্টমসের সুপার কর্মকর্তা সালে উদ্দিন আহমেদ বলেন, ঢাকার এস এম এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানটি ৫টন কাজুবাদাম আমদানি করেছে।

অন্যদিকে, বুড়িমারী স্থলবন্দরের শ্রমিক একরামুল হক ও অটোরিকশাচালক মজিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সংশ্লিষ্ট ট্রাকে প্রায় ১২টন কাজুবাদাম রয়েছে বলে তাঁদের ধারণা। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে পণ্যের পরিমাণ বেশি হতে পারে। তবে প্রকৃত পরিমাণ ওজন পরিমাপের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

তথ্যসূত্রে জানা গেছে, কাজুবাদামের চালানটি বর্তমানে ঢাকা মেট্রো-ট-১২৭৯৭৪ নম্বরের বাংলাদেশি ট্রাকে রয়েছে। ভারতীয় ট্রাক থেকে বাংলাদেশি ট্রাকে পণ্য স্থানান্তরের প্রক্রিয়া এবং আমদানি সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত তথ্য নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। স্থানীয়দের দাবি করা ১২টন এবং কাস্টমস কর্মকর্তার উল্লেখ করা ৫টনের মধ্যে পার্থক্য থাকায় পণ্যের প্রকৃত পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

পাশাপাশি পণ্যের ঘোষিত মূল্য, আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাযথ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এস এম এন্টারপ্রাইজের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

উল্লেখ্য যে, পণ্যের প্রকৃত ওজন, মূল্য ও আমদানির বৈধতা সংশ্লিষ্ট নথি এবং কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। তাই যাচাইয়ের আগে চালানটিকে অবৈধ আমদানি হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone